ইতিহাস গড়ে জিততে হবে সাকিবদের

0
33

দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, ঘুরে দাঁড়ানোর শত শত রেকর্ড আছে। সেই ঘুরে দাঁড়ানোর মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানদের দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার কথা নিশ্চয় ছিল। আবার বাংলাদেশেরও ভালো ব্যাটিং করার ইঙ্গিতও ছিল। কিন্তু বল হাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। আফগানিস্তান তাই এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রান তুলে ফেলেছে। লিড পেয়ে গেছে সাড়ে তিনশ’ ছাড়ানো।

ব্যাট হাতে তাই ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশের। বিশ্ব রেকর্ডের কথা অবশ্য এখনই আসছে না। কারণ চারশ’ রানের লিড থেকে আফগানরা এখনও বেশ খানিকটা দূরে। আর ক্রিকেট ইতিহাসে চারশ’ ছাড়ানো রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড মাত্র চারটি। সর্বোচ্চ ৪১৮ তাড়া করার রেকর্ড আছে। আর শেষ দশ বছরে চারশ’ তাড়া করার দৃড়তা কোন দেশ দেখাতে পারেনি। এশিয়ার স্পিন সহায়ক উইকেটে তো নয়ই।

সর্বশেষ বড় রান তাড়া করে জেতার ঘটটা ঘটেছে শ্রীলংকায় ২০১৭ সালে। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ৩৮৮ রান টপকে ৪ উইকেটে জেতে স্বাগতিকরা। নিকট অতীতে এশিয়ার মাটিতে ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের ৩৮৭ তাড়া করে জেতে ভারত। পাল্লেকেলেতে শ্রীলংকার দেওয়া ৩৭৭ রান তাড়া করে ২০১৫ সালে জেতে পাকিস্তান। এছাড়া পি সারা ওভালে শ্রীলংকা দেওয়া ৩৫২ তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে দক্ষিণ আফ্রিকার। এশিয়ার মাটিতে সাড়ে তিনশ’ তাড়া করে জেতার রেকর্ড আর নেই।

বাংলাদেশের মাটিতে বড় রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে দুটি। দুটিই গেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ৩০৭ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের সামনে বাংলাদেশ লক্ষ্য দেয় ৩১৭ রানের। কিউইরাও ৩ উইকেট হাতে রেখে তুলে নেয় জয়।

পরিসংখ্যান দেখলে তাই ম্যাচ বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে গেছে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে দুইশ’ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের হেভিওয়েট লেগ স্পিনে ভরপুর দলের বিপক্ষে এতো বড় রান তাড়ার চিন্তা তাই অনেকটা অমূলক। আর একটা কথা বলা রাখা যায়, ম্যাচের এখনও দুই দিন বাকি। টানা বৃষ্টি ছাড়া ম্যাচ ড্র হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here