ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি

0
47
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
এই জেলায় ভ্রমণের জন্য অনেক জায়গা রয়েছে। ছুটিতে তাই বেড়িয়ে আসতে পারেন পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে। বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলার অন্যতম খাগড়াছড়ি। চারিদিকে পাহাড়ের মাঝে অনেকটা সমতলে এই শহর।   

দেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মন্দির বলতে অনেকে বোঝেন রামুর বৌদ্ধ মন্দিরকে। আসলে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার উল্টোছড়ার বৌদ্ধ মন্দিরটিই বাংলাদেশের বৃহত্তম ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম।জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের এ বৌদ্ধ মন্দির ‘শান্তিপুর অরণ্য কুটির’ নামে পরিচিত

পাহাড়ি গাছ-গাছড়ায় ঘেরা পানছড়ি শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বুদ্ধ মূর্তি। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি তীর্থস্থান। ১৯৯৯ সালে নির্মিত ৫০ ফুট উচ্চতার এ বুদ্ধ মূর্তি তৈরিতে সময় লেগেছে ৩-৪ বছর। পর্যটকদের মূল আকর্ষণও এই গৌতম বুদ্ধের মূর্তি। সেটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে আরও বিভিন্ন ছোট ছোট কুটির। পাশে আছে সুজাতার মূর্তি, যে নারী পায়েশ খাইয়ে বুদ্ধের ধ্যান ভঙ্গ করেছিলেন।

শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে সাড়ে ৪৮ফুট উচ্চতার গৌতম বুদ্ধের মূর্তি, লাভীশ্রেষ্ঠ সিবলী মহাস্থবিরের মন্দিরসহ মূর্তি, মারবিজয়ী উপগুপ্ত মহাস্থবিরের মূর্তি, অধ্যক্ষ মহোদয়ের আবাসস্থল ‘‘মৈত্রী ভবন’’, ১০০ হাত দৈর্ঘ্যের ভিক্ষুশালা, ৬০ হাত দৈর্ঘ্যের দেশনাঘর, ৮০ হাত দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট ভোজনশালা এবং বড় বুদ্ধ মূর্তির ছাদ। এখানে ২৫টিরও বেশী পর্ণ কুটির রয়েছে এবং উপ-কুটিরও রয়েছে। প্রত্যাকটি কুটিরে ও উপকুটিরে একজন করে ভিক্ষু ও শ্রামণ অবস্থান করে ভাবনা ও ধ্যানে মগ্ন থাকেন। বর্তমানে ভিক্ষু শ্রামণসহ ৪০জন অবস্থান করছেন।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি

নুনছড়ি দেবতা পুকুর খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় অবস্থিত। খাগড়াছড়ির নুনছড়িতে ভুপৃষ্ঠ থেকে ৫০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত নুনছড়ি দেবতা পুকুরটি মাটাই পুখুরি অথবা দেবতা পুকুর নামেও পরিচিত। আদিবাসী ত্রিপুরা গোত্রের কল্পকাহিনী অনুযায়ী এই পুকুরের পানি কখনো শুকিয়ে যায় না এবং ময়লা হয়না তাই এই পুকুরকে বলা হয় মাটাই পুখিরি অথবা দেবতা পুকুর।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
দেবতা পুকুর
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
হাতির মাথা

খাড়া উঁচু পাহাড়। দেখতে ঠিক হাতির মাথার মতো। তাই শত শত বছর ধরে স্থানীয় আদিবাসীরা একে ডাকে হাতিমাথা বা হাতিমুড়া নামে। এখানকার পাহাড়ি উঁচু পথকে স্থানীয়রা হাতিমুড়া/মায়ুং কপাল বলে  ডাকে। এখানেই রয়েছে স্বর্গের সিঁড়ি। না, সত্যিকার স্বর্গে যাওয়ার সিঁড়ি নয়, তবে এই সিঁড়ি আপনাকে নিয়ে যাবে পাহাড়ের চূড়ায় অসাধারণ সুন্দর আদিবাসী গ্রামে। স্বর্গের সিঁড়িটি ভূমি থেকে উঠে গেছে সোজা উপরের দিকে। পাহাড়ের গায়ে সবুজ বনের ফাঁকে ফাঁকে খাড়া উঠে যাওয়া এই সিঁড়ির শেষ দেখা যায় না। মনে হয় যেন উপরে স্বর্গেই শেষ হয়েছে সিঁড়িটা। আর তাই একে স্বর্গের সিঁড়ি নামে ডাকা হয়।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
হাতির মাথা

খাগড়াছড়ি জেলার উপজেলা সদরের পেরাছরা ইউনিয়নে এই স্বর্গের সিঁড়িটি অবস্থিত। চাকমা ভাষায় যার নাম ‘এদো সিরে মোন’। খাড়া পাহাড় ডিঙিয়ে যাওয়া দুর্গম এই পথটি মূলত ১৫ টি গ্রামের  যাতায়াত পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সদর উপজেলা ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাঙ্গামুড়া, বাদলছড়া, মাখন তৈসা পাড়া, কিনাপা পাড়া, হাজা পাড়া, বগড়া পাড়া, কেশব মহাজন পাড়া, সাধুপাড়া, কাপতলা পাড়ার মানুষের জীবন যাত্রাকে সহজ করার জন্য সরকারী উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে ৩০৮ ফুট লম্বা লোহার তৈরি এই সিঁড়ি।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
পার্বত্য জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা শহরের কাছেই জেলা পরিষদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা “হর্টিকালচার পার্ক” দৃষ্টি কেড়েছে ভ্রমণপিপাসু হাজারো পর্যটকদের। ছুটির দিনতো বটেই, সপ্তাহের বাকী দিনগুলোতেও এখানে ভিড় জমে অসংখ্য পর্যটকের। ২৪ একর টিলা ভূমিতে গড়ে তোলা এই পার্কে নির্মিত ঝুলন্ত সেতু, পাহাড়ি ধাঁচের টংঘর-গোলঘর-কৃত্রিম হ্রদ আর ফুল-ফলের বাগানে নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য ছুটে আসেন নানান শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
রিসাং ঝর্ণা

সবুজ প্রকৃতির মাঝে ঝর্ণা, সে এক অপরূপ সৌন্দর্য। বর্ষায় এর রূপ যেন হয়ে ওঠে আরো দৃষ্টিনন্দন। কারণ, বর্ষা যেন এর রূপের পূর্ণতা দান করে, আর সবুজ যেন এর চারপাশের প্রকৃতিকে আরো মায়াময় করে তোলে। ঝর্ণার শব্দ অনেকের কাছে ছন্দময়।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
রিসাং ঝর্ণা
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
তৈদুছড়া ঝর্না বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলায় অবস্থিত। ত্রিপুরা ভাষায় তৈদু মানে হল পানির দরজা এবং ছড়া মানে ঝর্ণা।
তৈদুছড়া ঝর্ণা ৩০০ ফুট উঁচু। পাহাড়ের গায়ে অসংখ্য পাথরের ধাপ আছে। এই ধাপ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে নিচে। এই প্রাকৃতিক বৈচিত্রতা তৈদুছড়া ঝর্ণাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। খাগড়াছড়িতে যে কয়টি দর্শনীয় স্থান রয়েছে তৈদুছড়া তাদের মধ্যে অন্যতম।[১] জঙ্গেলর মাঝে আঁকা বাঁকা পাহাড়ের ভাঁজ দিয়ে বয়ে চলে তৈদুছড়া ঝর্ণার জল। শীতল স্বচ্ছ টলমলে জলের কলকল করে ছুটে চলার শব্দে মুখিরত হয় চারপাশ। ৩০০ ফুট উচু পাহাড় হতে গড়িয়ে পড়া পানি এসে পরে পাথুরে ভূমিতে।[২] অন্য সকল ঝর্ণার মত এর পানি সরাসরি উপর হতে নিচে পড়ে না। পাহাড়ের গায়ে সিড়ির মত তৈরি হওয়া পাথুরে ধাপ গুলো অতিক্রম করে নিচে পড়ে তৈদুছড়া ঝর্ণার পানি। তৈদুছড়া ঝর্ণার ডানপাশ দিয়ে পাহাড়ের উপরে থাংঝাং ঝর্ণা নামে আরেকটি ঝর্ণা আছে। থাংঝাং ঝর্ণার পানি একটা ঝিরি তৈরি করেছে। এই ঝিরির পানি থেকে তৈদুছড়া ঝর্ণার সৃষ্টি হয়েছে।

খাগড়াছড়ি শহর থেকে বাসে চড়ে প্রায় বিশ মিনিটের পথ। নামতে হয় মাটিরাঙ্গা ১০ নম্বর রিজিয়নে। সেখান থেকে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার হাঁটার রাস্তা। আমরা হাঁটতে লাগলাম প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। মাঝে একটা চা দোকানে বসে চা পানি খেলাম। দোকানে বসে থাকা এক বুড়ো চাচার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম, এই অঞ্চলে সব ভূমিহীন, উদ্বাস্তু মানুষের বাস। চাচার বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ছিল, সামনের বাড়ির লোকেরা এসেছিলেন ময়মনসিংহ থেকে, তারপরের বাড়ি ফরিদপুর, তারপর মাগুরা- এভাবে সমস্ত বাংলাদেশ যেন এক জায়গায় মিলিত হয়েছে। আমরা আরও আধা কিলো হাঁটার পর দেখা পেলাম সেই বিশাল বটগাছের। অনেকের মতে এই গাছের বয়স নাকি চারশত বছরের উপরে। মূল বটগাছের আশেপাশে আরও অনেকগুলো গাছ আছে, যেগুলো মূল গাছের বটমূল থেকেই জন্মানো। প্রকাণ্ড গাছটা ছড়িয়ে আছে বিশাল জায়গাজুড়ে।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি

শতবর্ষী বটগাছ

গাছের নিচে ক্লান্ত শ্রমিকরা বিশ্রাম নিচ্ছে, কেউবা তাস খেলছে, কেউ বিড়ি ফুঁকছে। আমরা গাছে চড়ে ছবি তুললাম কিছু। পাশেই একটা স্কুল আছে – আলুটিলা বটতলী নিন্ম মাধ্যমিক স্কুল।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি

শতবর্ষী বটের ছায়ায় আলুটিলা বটতলী নিন্ম মাধ্যমিক স্কুল

গাছের কাণ্ডটা অদ্ভুত ভাবে পেঁচানো। ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, শত শত বছরের ঘটনার সাক্ষি এই বটগাছ। বাংলায় ইংরেজ শাসন, ভারতীয় শাসন, পাকিস্তানি শাসন সব ঘটনার সাক্ষি এই মহিরুহ।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি

মূল গাছের পেঁচানো কাণ্ড

বটের ছায়ায় কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রওনা দিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে

খাগড়াছড়ির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভ্রমণের জায়গা হল আলুটিলা পাহাড়। প্রায় এক হাজার ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়ালে পুরো খাগড়াছড়ি শহরকে পাখির চোখে দেখা যায়।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
চেঙ্গি নদী

এখান থেকে চেঙ্গি নদীকে দেখলে মনে হয়, সাপের মতো আঁকাবাঁকা হয়ে ছুটে চলেছে।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
চেঙ্গি নদী

আলুটিলা পাহাড়ের আরেকটি আকর্ষণীয় জায়গা হল, প্রাচীন একটি গুহা। পাহাড়ের নীচে গুহার ভেতর দিয়ে বয়ে চলছে শীতল জলধারা।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
প্রাচীন গুহা
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
প্রাচীন গুহা
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
প্রাচীন গুহা
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
প্রাচীন গুহা

প্রাকৃতিক ঝরনা রিছং। এটি আলুটিলা ছেড়ে সামনে আরও তিন কিলোমিটার দূরে। পাহাড়ের গা বেয়ে নামতে হয় এ ঝরনায়। বিশাল পাথরের একপাশ দিয়ে পানি বয়ে যায়।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
রিসা ঝরনা

খাগড়াছড়ি জেলাশহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সদর উপজেলার নুনছড়িতে উঁচু এক পাহাড়ের উপরে দেবতার পুকুর। এ পুকুরে উঠার পথ বেশ দুর্গম। শিশুদের নিয়ে এখানে বেড়াতে যাওয়া কষ্টকর।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
দেবতার পুকুর

খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে মেঘের কোলে বেড়ানোর জায়গা সাজেক। জায়গাটি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি থানার অন্তর্গত হলেও খাগড়াছড়ি থেকে যাওয়াই সহজ।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক

খাগড়াছড়ি থেকে পাহাড়ি পথ বেয়ে যেতে এ পথে দেখা যাবে কাসালং আর মাসালং নদী। বাঘাইহাট সেনা ক্যাম্পের সামনে কাসালং এবং মাসালং নদী একত্রে এসে মিলেছে। সাজেকে যেতে হলে বাঘাইহাট ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিয়ে যেতে হয়। এখান থেকে পাহাড়ি পথগুলোও বেশ দুর্গম।

অপরূপ জায়গা এই সাজেক। রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন এটি। সাজেকের অবস্থান খাগড়াছড়ি জেলা থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে আর ভারতের রাজ্য মিজোরামের সীমান্ত থেকে দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার। পাহাড়ি সাজেকে আছে ‘রুইলুই’ এবং ‘কংলাক’ নামের দুটি বসতি বা ’পাড়া’। এখানে লুসাই, পাংখোয়া ও ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। রাঙামাটির অনেকটা অংশই দেখে যায় সাজেক থেকে । তাই সাজেককে বলা হয় ‘রাঙামাটির ছাদ’। সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও এখানে যাতায়াত খাগড়াছড়ি থেকে সহজ । খাগড়াছড়ি শহর থেকে সাজেকের দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। সাজেকের রুইলুইপাড়া সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৭২০ ফুট । আর ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত কংলাক পাহাড়। সাজেক সারা বছরই বর্ণিল সাজে সেজে থাকে।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক

সাজেক যাওয়ার পথে আছে মাসালং বাজার। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর মানুষেরাই মূলত এ বাজারে জমায়েত হন। পাহাড়ি পথ বেয়ে মাথা বোঝাই বাজার সদাই নিয়ে বাড়ি ফেরেন তারা।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক

একেবারে সাজেকের পাহাড় চূড়ায় আছে  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী র গ্রাম কংলাকপাড়া। এ গ্রামে উঠলে চারপাশে দেখা যায় দূরের পাহাড়ের সৌন্দর্য। খাগড়াছড়ি শহর থেকে চাঁদের গাড়ি (পুরানো জিপ) ভাড়া করে যেতে হবে সাজেক। সকালে গিয়ে বিকেলের মধ্যেই ফিরতে হয়। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ির ভাড়া সাধারণত আড়াই হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা।

ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক
ভ্রমণ স্বর্গ খাগড়াছড়ি
সাজেক

কীভাবে যাবেন

ঢাকার কমলাপুর থেকে বিআরটিসির এসি বাস যায় খাগড়াছড়ি। এছাড়া ফকিরাপুল ও কমলাপুর থেকে এস আলম, সৌদিয়া, ঈগল, শ্যামলী ও শান্তি পরিবহনের নন এসি বাসও চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৫২০ টাকা।

খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মোটেল রয়েছে, ফোন ০৩৭১ ৬২০৮৪-৮৫। ঢাকার মহাখালীতে পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ হোটেলে বুকিং দেওয়া যায়।

হোটেলের নন এসি দ্বৈত কক্ষে ভাড়া ১ হাজার ৩শ’ টাকা এবং এসি কক্ষের ভাড়া ২ হাজার ১শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা।

এছাড়াও খাগড়াছড়ি শহরে সাধারণ মানের কিছু হোটেল হল: হোটেল শৈল সুবর্ণা, হোটেল গাইরিং এবং হোটেল ফোর স্টার। এসব হোটেলে ৫শ’ থেকে দেড় হাজার টাকায় কক্ষ মিলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here