পঞ্চগড়ে নেমেছে ঠান্ডা

0
114

উমর ফারুক পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :বাংলাদেশের  সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। হালকা হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে শহর ও গ্রামে। হিমালয় থেকে নেমে আসা ঠান্ডা গ্রামে একটু বেশি, দ্রুতই পাল্টে যাচ্ছে এ জেলার আবহাওয়া। আজ (বৃহস্পতিবার) ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করে পঞ্চগড়ে।

সেই সঙ্গে ২ দিন ধরে চলছে বৃষ্টি। এই বৃষ্টির কারণে ঠান্ডা একটু বেশি অনুভব করা যাচ্ছে।   মাঝে মধ্যে কুয়াশায় পুরো এলাকা ছেয়ে যাচ্ছে। রাস্তা ঘাটে দেখা যাচ্ছে রাতের বেলায় শীতের কাপড়  পরে বেরাতে। সবুজ ঘাস ও গাছের পাতায় জমছে শিশিরের কণা। প্রকৃতিতে এখন হেমন্তকাল। শীতের বার্তা নিয়ে আসার কথা ছিল হেমন্তের। কিন্তু পঞ্চগড়ে এখন দিনে হেমন্ত, রাতে শীত।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এটা প্রকৃতির বিরূপ প্রভাবের কারণে হচ্ছে। হেমন্তের শুরু থেকেই দিনের বেলায় শান্ত বাতাস বইছে সর্বত্র। গাছে গাছে ফুটছে শিউলি, বকুলসহ নানা ফুল। মাঠে মাঠে বেড়ে উঠছে সবুজ ধান। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে যেন সবুজ রঙ ঢেলে দিয়েছে প্রকৃতি। প্রতিনিয়ত বইছে হিমেলে হাওয়া। সকালে পূর্ব আকাশ ফুঁড়ে উঠছে সূর্য। দিনে সর্বত্র গরম অনুভূত হচ্ছে। সারা দিন কড়া রোদ থাকলেও সন্ধ্যার পর শান্ত হয়ে আসছে প্রকৃতি। রাতে বইছে ঠান্ডা হাওয়া।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম কমে যাচ্ছে। শরীরে লাগছে শীত। শেষ রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে তীব্র। অনেকেই ঘরের ফ্যান বন্ধ রাখছেন। হালকা শীতের কাপড়ও গায়ে জড়িয়ে নিচ্ছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে, শিশু ও বৃদ্ধদের শেষ রাতে ব্যবহার করতে হচ্ছে শীতের কাপড়। যারা শীতের কাপড় গুছিয়ে রেখেছিলেন তারাও এখন ব্যবহারের জন্য গরম কাপড় বের করছেন। রাতে শীতের সঙ্গে কুয়াশা পড়ছে। সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী এলাকার জাহানারা বেগম জানান, ‘রাতে কাঁথা নিতে হচ্ছে।’

গভীর শিশির পড়ছে। কুয়াশাও পড়ছে। আগাম শীতের কারণে লেপ-তোশক বানাতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন এ অঞ্চলের মানুষ। লেপ-তোশকের দোকানে দিন দিন ভিড় বাড়ছে। শহরের শীতের কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভিড় বাড়ছে। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে বিদায় নেয়ার পর এখন উত্তর দিক থেকে শীতল বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে শীত পড়তে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here