লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন পঞ্চগড়ের কারিগররা

0
83

উমর ফারুক পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :সকালে ঘাসের ডগায় শিশির ভেজা মুক্তকণা জানান দিচ্ছে শীতের। শীত জেঁকে বসার আগেই পঞ্চগড় লেপ-তোষক তৈরির ধুম লেগেছে। ক্রেতারা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন লেপ-তোষকের দোকানে। আর তাই লেপ-তোষক তৈরিতে বেশ ব্যস্ত সময় পাড় করছেন  পঞ্চগড়ের  কারিগররা। পঞ্চগড় কদমতলা  সামনে লেপ-তোষক প্রস্তুতকারী বিভিন্ন দোকান সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, মালিক-শ্রমিক, ধুনকাররা এখন তুলাধোনায়, লেপ-তোষক তৈরির সেলাইয়ের কাজে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। লেপ-তোষকের দোকানগুলোতেও বাড়ছে ক্রেতার আনাগোনা। লেপ তৈরির অর্ডারও দিচ্ছেন অনেকে। ধুনক কারিগর রফিকুল  হোসেন জানান, দিন যতই গড়াচ্ছে শীতের প্রকোপ ততই বেশি বাড়ার আশংকায় উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ নতুন নতুন লেপ তৈরি করছে। বছরের অন্যান্য সময় বেচাকেনা কম হলেও শীত মৌসুমে বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন গড়ে ৩০-৩৫ টি লেপ তোষক  তৈরির অর্ডার পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। লেপ-তোষক ব্যবসায়ী আমিন ইসলাম বকুল  মিয়া বলেন, এ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রচুর লেপ-তোষক তৈরির অর্ডার পাচ্ছি। কাজ সামাল দিতে অতিরিক্ত কারিগর রেখে দিয়েছি। চেষ্টা করছি সাধ্যমতো সঠিক সময়ে গ্রাহকদের কাছে পণ্য ডেলিভারি দিতে। অর্ডার নেওয়ার পাশাপাশি অগ্রিম কিছু লেপ, বালিশ ও তোষক বানিয়ে রেখেছি। ক্রেতা সাধারণের কাছে এসব রেডিমেট হিসেবে বিক্রি করে থাকি। তিনি জানান, মজুরি হিসেবে বালিশ প্রতি পিস ১০০ টাকা, লেপ ২৫০-৩০০ টাকা ও তোষক ৩০০-৩৫০ টাকা হারে নেওয়া হচ্ছে। কারিগর রায়হান ইসলাম বলেন, কাজের চাপ বাড়ায় কারিগরদের চাহিদাও বেড়েছে। এখন প্রতিদিন ১ হাজার টাকা মজুরি পাচ্ছি। শীতের তীব্রতা বাড়লেও কাজের চাপ আরও বাড়বে তখন মজুরিও বাড়বে।এদিকে শীতের আগামনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের গৃহবধূদের অনেকেই কাঁথা সেলাই শুরু করে দিয়েছেন। গৃহবধূ মরিয়ম বেগম বলেন, শীত মৌসুমের শুরু থেকেই কাঁথা সেলাইয়ের অর্ডার আসতে থাকে। আর পুরোপুরি শীত পড়লেতো কথাই নেই। দম ফেলবার সময় থাকে না। নকশা ভেদে এক একটি কাঁথা সেলাই করতে মজুরি বাবদ নেয়া হয় ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here