নালিতাবাড়ীতে এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে কলেজ ছাত্রীর মামলা

0
763


মো: জাফর আহমেদ, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি:
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের আদালতে মামলা করেছে কলেজ পড়–য়া এক ছাত্রী।
মামলার বিবরনী ও কলেজ পড়–য়া ছাত্রীর অভিযোগে প্রকাশ, নালিতাবাড়ী উপজেলার সেকের কূড়া গ্রামের মোঃ মাইন উদ্দিনের পুত্র সেনা সদস্য মোঃ সোহেল মিয়া (২২) ও নন্নী তাজুরাবাদ গ্রামের আব্দুল কাদের এর কলেজ পড়–য়া কন্যার সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সর্ম্পক চলে আসছিল। কাদেরের কন্যা হাজী নূরুল হক নন্নী পোড়াগাও মৈত্রী কলেজের ছাত্রী। উভয়ের মধ্যে মোবাাইলে যোগাযোগ কথা বার্তা আদান প্রদান হতো নিয়মিত। ছুটিতে এসে সোহেল মিয়া তাঁর প্রেমিকার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতো ।
২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর শনিবার বিকেলে সোহেল তার প্রেমিকাকে সিএনজি চালিত অটোতে তুলে নিয়ে শেরপুর শহরে বন্ধুর মেসে নিয়ে যায়। তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে । সে মেসে কান্নাকাটি শুরু করিলে বিবাহ করবে বলে আশ^স্ত করে সোহেল সেকেরকুড়া নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় । পরে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বাড়িতে চলে যেতে বলে। এতে সোহেলের প্রেমিকা রাজি না হলে তাকে ব্যাপক মারপিট করে। এই ঘটনার খবর পেয়ে আব্দুল কাদির কয়েক জনকে সঙ্গে নিয়ে সোহেল মিয়ার বাড়িতে আসে। গুরুত্বর জখমি অসুস্থ অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে । চিকিৎসা শেষে ওই ছাত্রী সুস্থ হয়ে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের আদালতে ধর্ষণ ও হত্যা করার চেষ্টার অভিযোগে মামলা করে ।
আব্দুল কাদের জানান, আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে আর্মি সোহেল। আমি এই ঘটনার জন্য তার শাস্তি চাই।
কলেজ পড়–য়া ছাত্রী জানান, সোহেলের সাথে আমার সাত বছরের প্রেমের সর্ম্পক। সে আমাদের বাড়িতে বহুবার এসেছে। তার সাথে আমার বিয়েও ঠিক হয়। আমি তাকে বিশ^াস করে তার সাথে সিএনজিতে গেলে সে শেরপুর মেসে নিয়ে আমাকে জোড়পূর্বক অনৈতিক কাজ করে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।
এ ব্যাপারে সেনা সদস্য মোঃ সোহেল মিয়ার মোবাইল ০১৯৫৩ ২৩৭৫৪৭ নম্বরে যোগাযোগ করে ফোন টি বন্ধ পাওয়া যায় ।
নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনর্চাজ বছির আহমেদ বাদল জানান, ইউনিট ইনচার্জকে অবহিত করে মামলা রুজু করা হয়েছে।
মো: জাফর আহমেদ,
নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
তারিখ: ২৯/১০/২০১৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here