গুইমারায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে, বিধবাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ (ভিডিও)

0
177

খাগড়াছড়ি:: পাবর্ত্য খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় এক বিধবাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক শহিদুল্লা নামে এক যুবক। ২০ নভেম্বর বুধবার রাত ৯ টার সময় গুইমারা বাজরপাড়ায় সাইদুল হকের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শহিদুল্লা গুইমারা উপজেলার রেনুডেবা এলাকার আব্দুল বারেকের ছোট ছেলে। ধর্ষিতার ভাষ্যমতে, তিনি গুইমারা বাজারের একজন ঔষধ দোকানদার। অভিযুক্ত যুবক তার পূর্ব পরিচিত। পরিচয়ের সূত্র ধরে তার সাথে তার দুই একবার আলাপ আলোচনা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ২০ নভেম্বর রাত ৯ টায় অভিযুক্ত যুবক শহিদুল্লা তার ভাড়া বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে এবং তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় সে চিৎকার চেচামেচি করতে চাইলে শহিদুল্লা তাকে বলে সকাল বেলায় তোমাকে কোর্টে নিয়ে বিয়ে করবো। তবু আমি চিৎকার করি এবং আমার চিৎকার চেচামেচিতে বাড়ির মালিক ও লোকজন এসে শহিদুল্লাকে আটক করে। এক পর্যায়ে অভিযুক্তর বাবা আব্দুল বারেককে এলাকার লোক জন ফোন করে ঘটনাস্থলে আনেন। তিনি এসে তার ছেলের অন্যায় হয়েছে স্বীকার করে, ছেলের সাথে আমার বিয়ে দিবেন বলে ইঞ্জিনিয়ার বেলালের বাসায় আমাকে নিয়ে যান।

সেখানে নিয়ে তিনি তার সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে ফেলেন। তিনি তার বড় ছেলে মোঃ ইয়াসিন ও তার স্ত্রী রানু বিবি কে দিয়ে আমাকে অমানবিক ভাবে মারধর করেন। এবং আমাকে প্রানে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমার চিৎকার চেচামেচিতে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসায় আমি প্রানে বেচে যাই এবং তারা আমাকে যেখানে পাবে সেখানে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেয়। পরে আমি অভিযোগ করার জন্য গুইমারা থানায় যাই কিন্তু ধর্ষকের বাবা ফার্নিচার দোকানে আমাকে আবারো ডেকে নিয়ে আসে।

এলাকার কযেকজন জানান, মেয়েটি তার অসৎ উদ্ধেশ্য হাসিল করার জন্যে এ কাজে শহিদুল্লাকে জড়িয়েছে। শহিদুল্লা নিজেও বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত বলে জানান লোকজন। মেয়েটি গুইমারার বাসিন্দা না। তার বাড়ী যশোর এলাকায বলে জানা যায়। মহিলাটির আগেও কয়েকটি বিয়ে হয়েছে বলে জানা গেছে।

গুইমারা থানা সূত্রে ধর্ষিতার থানায় যাওয়ার সত্যতা পাওয়া যায়। এর পর শুক্রবার বিকাল থেকে ধর্ষিতার কোনো প্রকার খোজ পাওয়া যাচ্ছে না। তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। উল্ল্যেখিত বিষয়ে জানতে চাইলে গুইমারা থানার অফিসার ইনর্চাজ বিদ্যুৎ কুমার বড়–য়া বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। ধর্ষিতা মেয়েটি আমার কাছে ১ ঘণ্টার সময় চেয়ে নিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে আবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে এসে কিছুক্ষণ বসে থেকে চলে যায়। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here