গুইমারায় উন্নয়নের নামে লুটপাট

0
98

ঠিকাদার সেলিম প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে নিম্ন মানের সড়ক নির্মান কাজ

আনোয়ার হোসেন:: খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় কিছুতেই থামছে না উন্নয়নের নামে লুটপাট। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে চালিয়ে নিচ্ছে নি¤œ মানের সড়ক নির্মান কাজ। সরকারি নানা উন্নয়ন কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কাজের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করছে একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ ঠিকাদাররা। স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অনিয়নকে নিয়মে পরিণত করে চলছে এই সব ঠিকাদাররা।
সম্প্রতি, গুইমারা উপজেলার মনিপাড়া সড়ক উন্নয়ন কাজে এ ধরনের একটি অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে। গুইমারার-মুসলিমপাড়া হয়ে মনিপাড়া সড়কের ইট সলিং ও ড্রেনের কাজে এ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠে।
এ সকল ঘটনার ফলেই সরকারি অর্থ ব্যয়ে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের পরও সাধারন মানুষের দুর্ভোগ যেন লেগেই থাকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে মুসলিমপাড়া হয়ে মনিপাড়া থেকে পরশুরামঘাট যাওয়ার রাস্তাটি ইট সলিং ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজের নামে অর্ধকোটি টাকারও অধিক এ নির্মান কাজে নয়-ছয় করে ব্যবহার অনুপযোগী ইট ও কাঁদাযুক্ত বালু দিয়ে কাজ করায় এ সড়ক সাধারন মানুষের কোন উপকারেই আসবে না বরং জলে যাবে সরকারের এ মোটা অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ।
জানা যায়, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে এই সড়ক নির্মাণ কাজের জায়গায় রাস্তার দুই পাশে ইটের সলিং করতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা অধিক ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ইট ভাটা থেকে নিম্ম মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে সড়ক উন্নয়নের কাজে।
পাকা সড়কের দুই পাশে ১ নাম্বার ইট বিছানোর কথা থাকলেও নি¤œ মানের ইট বসানো হচ্ছে। দুই স্তরের ইট বসানোর পরে সেখানে খাটি বালু দেয়ার নিয়ম থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে ধুলা মিশ্রিত ভীট বালু। এতে প্রতিটি ইটের মাঝে অন্তত ২ ইঞ্চি ফাঁকা রেখে তা সাথে সাথে মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। এমনি ভাবে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে দ্রুত শেষ করা হচ্ছে এই সড়ক উন্নয়নের কাজ। উন্নয়নের কাজ চলমান থাকলেও নির্মানাধীন একটি অংশ ইতি মধ্যেই ভূমি থেকে নিচের দিকে দেবে গেছে।
এই যদি হয় উন্নয়নের চিত্র তাহলে এ উন্নয়নের ভবিষ্যৎ কি হবে প্রশ্ন রাখেন সাধারন জনগন। এ বিষয়ে গত ২১ নভেম্বর সড়ক উন্নয়নের স্থীর ও ভিডিও চিত্র নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া ও অনলাইন নিউজ র্পোটাল একাধিক সংবাদ পরিবেশন করলেও সংশ্লিষ্ট মহলকে ম্যানেজ করে বীরদর্পে এই নিম্ন মানের কাজ চলমান রেখেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেলিম।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নির্মান কাজে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শ্রমিক বলেন, কাজে অনিয়ম হচ্ছে এতে আমাদের কিছুই করার নাই। আমাদেরকে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। যেই মানের জিনিষ দেওয়া হয়েছে সেই জিনিষই ব্যবহার করছি। আমরা বেতন ধারী কর্মচারী মাত্র। আমাদের কথা কি ঠিকাদার শুনবে ? আমরাও চাই কাজটি ভালোমানের হউক। এলাকার লোক জনের কষ্ট লাঘব হউক কিন্তু আমরা অপারগ।
নিন্ম মানের সড়ক নির্মান কাজ সম্পর্কে ঠিকাদার মো: সেলিম এর সাথে মুঠোফোনে কাজের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিম্ন মানের ইট গুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। নি¤œ মানের ইট গুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে সেগুলো কি করবেন জানতে চাইলে, তিনি কোনো সদত্তর না দিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
সড়ক উন্নয়নের কাজের বিষয়টি গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তুষার আহমদ’কে জানালে তিনি ঘটনাস্থাল পরিদর্শ করেও এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেন নি বরং তিনি বলেছেন বিষয়টি আমার এখতিয়ারভুত নয়।এটি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ তারা এই বিষয়টি দেখবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক ব্যক্তি জানান, কাজটি নিম্ন মানের হয়েছে। আমি নিজেও দেখেছি এবং আমার ওয়ার্ডেও বিভিন্ন জনসাধারন আমাকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেলিমের সাথে যোগাযোগ করে এই নিম্ম মানের কাজ বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু তিনি প্রভাব খাটিয়ে কাজ অব্যহত রেখেছেন। জানিনা তার খুঁটির জোর কোথায়।
এই নিম্ন মানের কাজের বিষয়ে গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমার কাছে জানতে চাইলে বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কোনো প্রকার মন্তব্য করেননি। অপরদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড খাগড়াছড়ি কর্তৃপক্ষ বলেন, আমাদের রাস্তার কাজটি এক বছর আগেই শেষ হয়েছে। এখন কোন রাস্তার কাজ হচ্ছে বিষয়টি আমরা ভালভাবে জানি না। আমরা নিশ্চিত হয়ে বলতে পারবো। ঠিকাদার সেলিমের ম্যানেজার মো: সিদ্দিক মিয়া উক্ত রাস্তার কাজটি উন্নয়ন বার্ডের বলে নিশ্চিত করেছেন। Ff :: খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় কিছুতেই থামছে না উন্নয়নের নামে লুটপাট। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে চালিয়ে নিচ্ছে নি¤œ মানের সড়ক নির্মান কাজ। সরকারি নানা উন্নয়ন কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কাজের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করছে একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ ঠিকাদাররা। স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অনিয়নকে নিয়মে পরিণত করে চলছে এই সব ঠিকাদাররা।
সম্প্রতি, গুইমারা উপজেলার মনিপাড়া সড়ক উন্নয়ন কাজে এ ধরনের একটি অনিয়মের চিত্র ধরা পড়ে। গুইমারার-মুসলিমপাড়া হয়ে মনিপাড়া সড়কের ইট সলিং ও ড্রেনের কাজে এ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠে।
এ সকল ঘটনার ফলেই সরকারি অর্থ ব্যয়ে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের পরও সাধারন মানুষের দুর্ভোগ যেন লেগেই থাকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে মুসলিমপাড়া হয়ে মনিপাড়া থেকে পরশুরামঘাট যাওয়ার রাস্তাটি ইট সলিং ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজের নামে অর্ধকোটি টাকারও অধিক এ নির্মান কাজে নয়-ছয় করে ব্যবহার অনুপযোগী ইট ও কাঁদাযুক্ত বালু দিয়ে কাজ করায় এ সড়ক সাধারন মানুষের কোন উপকারেই আসবে না বরং জলে যাবে সরকারের এ মোটা অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ।
জানা যায়, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে এই সড়ক নির্মাণ কাজের জায়গায় রাস্তার দুই পাশে ইটের সলিং করতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা অধিক ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ইট ভাটা থেকে নিম্ম মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে সড়ক উন্নয়নের কাজে।
পাকা সড়কের দুই পাশে ১ নাম্বার ইট বিছানোর কথা থাকলেও নি¤œ মানের ইট বসানো হচ্ছে। দুই স্তরের ইট বসানোর পরে সেখানে খাটি বালু দেয়ার নিয়ম থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে ধুলা মিশ্রিত ভীট বালু। এতে প্রতিটি ইটের মাঝে অন্তত ২ ইঞ্চি ফাঁকা রেখে তা সাথে সাথে মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। এমনি ভাবে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে দ্রুত শেষ করা হচ্ছে এই সড়ক উন্নয়নের কাজ। উন্নয়নের কাজ চলমান থাকলেও নির্মানাধীন একটি অংশ ইতি মধ্যেই ভূমি থেকে নিচের দিকে দেবে গেছে।
এই যদি হয় উন্নয়নের চিত্র তাহলে এ উন্নয়নের ভবিষ্যৎ কি হবে প্রশ্ন রাখেন সাধারন জনগন। এ বিষয়ে গত ২১ নভেম্বর সড়ক উন্নয়নের স্থীর ও ভিডিও চিত্র নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া ও অনলাইন নিউজ র্পোটাল একাধিক সংবাদ পরিবেশন করলেও সংশ্লিষ্ট মহলকে ম্যানেজ করে বীরদর্পে এই নিম্ন মানের কাজ চলমান রেখেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেলিম।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নির্মান কাজে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শ্রমিক বলেন, কাজে অনিয়ম হচ্ছে এতে আমাদের কিছুই করার নাই। আমাদেরকে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। যেই মানের জিনিষ দেওয়া হয়েছে সেই জিনিষই ব্যবহার করছি। আমরা বেতন ধারী কর্মচারী মাত্র। আমাদের কথা কি ঠিকাদার শুনবে ? আমরাও চাই কাজটি ভালোমানের হউক। এলাকার লোক জনের কষ্ট লাঘব হউক কিন্তু আমরা অপারগ।
নিন্ম মানের সড়ক নির্মান কাজ সম্পর্কে ঠিকাদার মো: সেলিম এর সাথে মুঠোফোনে কাজের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিম্ন মানের ইট গুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। নি¤œ মানের ইট গুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে সেগুলো কি করবেন জানতে চাইলে, তিনি কোনো সদত্তর না দিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
সড়ক উন্নয়নের কাজের বিষয়টি গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তুষার আহমদ’কে জানালে তিনি ঘটনাস্থাল পরিদর্শ করেও এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেন নি বরং তিনি বলেছেন বিষয়টি আমার এখতিয়ারভুত নয়।এটি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ তারা এই বিষয়টি দেখবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক ব্যক্তি জানান, কাজটি নিম্ন মানের হয়েছে। আমি নিজেও দেখেছি এবং আমার ওয়ার্ডেও বিভিন্ন জনসাধারন আমাকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সেলিমের সাথে যোগাযোগ করে এই নিম্ম মানের কাজ বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু তিনি প্রভাব খাটিয়ে কাজ অব্যহত রেখেছেন। জানিনা তার খুঁটির জোর কোথায়।
এই নিম্ন মানের কাজের বিষয়ে গুইমারা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমার কাছে জানতে চাইলে বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কোনো প্রকার মন্তব্য করেননি। অপরদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড খাগড়াছড়ি কর্তৃপক্ষ বলেন, আমাদের রাস্তার কাজটি এক বছর আগেই শেষ হয়েছে। এখন কোন রাস্তার কাজ হচ্ছে বিষয়টি আমরা ভালভাবে জানি না। আমরা নিশ্চিত হয়ে বলতে পারবো। ঠিকাদার সেলিমের ম্যানেজার মো: সিদ্দিক মিয়া উক্ত রাস্তার কাজটি উন্নয়ন বার্ডের বলে নিশ্চিত করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here