Saturday, July 4, 2020

Global Statistics

All countries
11,074,878
Confirmed
All countries
5,863,847
Recovered
All countries
525,121
Deaths
Saturday, July 4, 2020

Coronavirus Global Statistics

All countries
11,074,878
Confirmed
All countries
5,863,847
Recovered
All countries
525,121
Deaths

বর্বরতার বর্ণনা দিলেন আবুবকর, আদালতে নির্বাক সু চি

নাসিম আর নেই

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম আর নেই। আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে...

দূরত্ব

মউসুমা শেখ আজ অনুজার মন ভালো নেই।সঠিকভাবে বলতে গেলে অবশ্য বলতে হবে মেজাজ ভালো নেই।মেজাজ ভালো না থাকা অনুজার...

খাগড়াছড়িতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় ভাড়া নিয়ে ব্যাপক নৈরাজ্যতা

খাগড়াছড়িতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় ভাড়া নিয়ে ব্যাপক নৈরাজ্যতা জনি ভট্টাচার্য জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়িঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভায়রাসকে পুজি করে,...

জনগণের সেবায় গুইমারা উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট

জনগণের সেবায় গুইমারা উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট চলতি মহামারি কোভিড-১৯ করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ রেড় ক্রিসেন্ট এর গুইমারা উপজেলা শাখার যুব ইউনিট সর্বাত্মক...

১৩৭ প্রতিষ্ঠানকে পৌনে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

করোনাভাইরাস আর রমজান মাসকে পুঁজি করে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। কারসাজি করে বেশি দামে বিক্রি করছে পণ্য। ওজনে কম...

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর চালানো গণহত্যার দায়ে দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) দায়েরকৃত মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজ মঙ্গলবার। শুনানির শুরুতে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্বোধ হত্যাকাণ্ড বন্ধে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গাম্বিয়ার আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে ওই মামলার শুনানির শুরু হয়। শুরুতেই  প্রধান বিচারপতির উদ্দেশে গাম্বিয়ার আইন ও বিচারমন্ত্রী বলেন, ‘গাম্বিয়া যা বলছে তা হলো আপনি মিয়ানমারকে এই নির্বোধ হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে বলুন।’

দ্য হেগে রোহিঙ্গা গণহত্যার এ বিচারপ্রক্রিয়ায় দেশের হয়ে আইনি লড়াই চালাতে আদালতে উপস্থিত রয়েছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি। গাম্বিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর।

শুনানির শুরুর দিনে আবুবকর রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চালানো গণধর্ষণ, গণহত্যা, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার বর্ণনা দেন বিচারপতির সামনে। আর এ সময় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি নির্বাক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে শুনছিলেন।

আবুবকর আরও বলেন, ‘বর্বর ও নৃশংস এসব কাজ; যা আমাদের সবার বিবেককে আঘাত করেছে। এটি এখনও অব্যাহত আছে। নিজ দেশের মানুষকে গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।’

আদালতে নির্বিকার সু চি

আদালত কক্ষে গাম্বিয়ার আইনজীবী দলের সদস্যরা যখন মিয়ানমারের নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরেন তখন নির্বিকার থাকতে দেখা যায় অং সান সু চিকে। এ সময় আদালতের বাইরে কয়েক ডজন রোহিঙ্গাকে ন্যায়বিচারের দাবিতে সমাবেশ করতে দেখা যায়।

একই সময়ে মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত ইয়াঙ্গুনে সু চির সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশ করে। সমাবেশে আসা বার্মিজদের হাতে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। অনেকেই ‘দেশের মর্যাদা রক্ষায়’, ‘জননী সু চির পাশে দাঁড়ান’ স্লোগান দেন।

গত ১১ নভেম্বর রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে মিয়ানমারের নামে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করেছিল গাম্বিয়া। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে গাম্বিয়া এ মামলা করে। নিধনযজ্ঞ পেরিয়ে যাওয়ার প্রায় আড়াই বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো দেশ এমন পদক্ষেপ নেয়।

রাখাইনে সংঘটিত রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞে সু চির বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে গাম্বিয়ার করা মামলায় দেশটির পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য একটি টিম গঠিত হয়েছে। সেই টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর সু চি।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, যা বিশ্ব আদালত হিসেবেও পরিচিত তাতে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের অভিযানের মধ্যে ছিল হত্যা, গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি সাধন, ভৌত বিনাশ বয়ে আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি, জন্ম রোধের ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া ও জোরপূর্বক স্থানান্তর। এগুলো গণহত্যার বৈশিষ্ট। কারণ এসবের উদ্দেশ্য ছিল রোহিঙ্গা গোষ্ঠীকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়া।

রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে বিদ্রোহীদের হামলার জবাবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট আগস্টে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এক কঠোর বিদ্রোহ দমন অভিযান শুরু করে। এ সময় গণধর্ষণ, হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়াসহ জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে বাঁচতে সাত লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী,  এখন পর্যন্ত রাখাইনে ছয় লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে। অত্যন্ত শোচনীয় পরিস্থিতিতে যাদের বসবাস করতে হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Hot Topics

নাসিম আর নেই

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম আর নেই। আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে...

দূরত্ব

মউসুমা শেখ আজ অনুজার মন ভালো নেই।সঠিকভাবে বলতে গেলে অবশ্য বলতে হবে মেজাজ ভালো নেই।মেজাজ ভালো না থাকা অনুজার...

খাগড়াছড়িতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় ভাড়া নিয়ে ব্যাপক নৈরাজ্যতা

খাগড়াছড়িতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় ভাড়া নিয়ে ব্যাপক নৈরাজ্যতা জনি ভট্টাচার্য জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়িঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভায়রাসকে পুজি করে,...

Related Articles

নাসিম আর নেই

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম আর নেই। আটদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে...

দূরত্ব

মউসুমা শেখ আজ অনুজার মন ভালো নেই।সঠিকভাবে বলতে গেলে অবশ্য বলতে হবে মেজাজ ভালো নেই।মেজাজ ভালো না থাকা অনুজার...

খাগড়াছড়িতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় ভাড়া নিয়ে ব্যাপক নৈরাজ্যতা

খাগড়াছড়িতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় ভাড়া নিয়ে ব্যাপক নৈরাজ্যতা জনি ভট্টাচার্য জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়িঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভায়রাসকে পুজি করে,...