জাতিয় শোক দিবস উপলক্ষে গুইমারা উপজেলা আ’লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

0
54

আনোয়ার হোসেনঃ

জাতীয় শোক দিবস ও ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগ।

শনিবার (১৫আগস্ট) সকালে গুইমারা দলিয় কার্যলয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ।

এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। পরে ১৫ আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আবু তাহের, সহ সভাপতি সমিরন পাল, সহ সভাপতি আইয়ুব আলী, সহ গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১ নং গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেমং মারমা,দপ্তর সম্পাদক রামপ্রুচাই চৌধুরী গুইমারা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্না রানী ত্রিপুরা, গুইমারা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বিপ্লব শীল, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মির, সেচ্চা সেবক লীগের সভাপতি সম্পাদক উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মী সহ বিভিন্ন পার্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন ।

এছাড়া জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্য উদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। এরপর বাদ জোহর দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও সুবিধামতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তিনি ছিলেন সংগ্রামী নেতা। শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ৬ দফার প্রণেতা ছিলেন। সত্তরের নির্বাচনে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে এ দেশের গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত করেন। পাকিস্তানের সামরিকজান্তার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলে ষাটের দশক থেকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের অগ্রনায়কে পরিণত হন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উত্তাল সমুদ্রে বঙ্গবন্ধু বজ কণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এ ঘোষণায় উদ্দীপ্ত, উজ্জীবিত জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছিনিয়ে আনে দেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর অমর কীর্তি এ স্বাধীন বাংলাদেশ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল এ কলঙ্কিত অধ্যায়। ৪৫ বছর আগে এ দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here